জেলার খবর

বেতন হয়নি শাহ আমানত বিমানবন্দরের ৩১৯ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী

প্রকাশিত :
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬
/
১ বার সংবাদটি দেখেছে

নতুন পে স্কেলে বেশি বেতনের আশায় থাকা চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ৩১৯ জনের অক্টোবর মাসের বেতন হয়নি। ফলে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশের ঘটনা ঘটেছে৷

সোমবার (২ নভেম্বর) সকালে এ বিষয়ে জানতে ভুক্তভোগী শ্রমিকরা পরিচালকের দপ্তরে জড়ো হন। তারা এর জন্য কার গাফিলতি রয়েছে তদন্ত ও বিচার দাবি করেন।

বিমানবন্দর কর্মচারী কল্যাণ সংঘের সাধারণ সম্পাদক হাকিম সরকার গণমাধ্যমকে বলেন, আমাদের বেতন প্রতি মাসের ১ তারিখ জমা হয়। যদি ১ তারিখ শুক্র বা শনিবার হয় তাহলে পরদিন কর্মদিবসে বেতন হয়। কিন্তু গতকাল ১ তারিখ রবিবার হওয়ার পরও আমাদেত বেতন না হওয়ায় আমরা পরিচালক স্যারকে বিষয়টি জানাতে গিয়েছিলাম।

তিনি বলেন, ‘আমাদের দাবি হচ্ছে কেন এ ঘটনা ঘটলো আর এর জন্য কে বা কারা দায়ী তাদেরকে চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনতে হবে এবং যত দ্রুত সম্ভব বেতন দেওয়ার ব্যবস্থা করা।”

বিমান বন্দরে কর্মরত এক শ্রমিক জানান, আমাদের অনেক সহকর্মী বর্তমানে ডেঙ্গুসহ নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন। তাদের মধ্যে একজন পরিচ্ছন্নতা কর্মী স্ট্রোক করে বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি। এই বেতন থেকে আমাদের সবাই তাকেও কিছু সহযোগিতা করার কথা ছিল। এখন আমরা নিজেরাই বেতন পাননি।

বিমান বন্দর সূত্রে জানা গেছে, সরকার ঘোষিত নতুন ৯ম পে স্কেল এর ফিক্সেশন সিএএবি এর অধীন সব বিমানবন্দর সম্পন্ন করলেও চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে এই পে ফিক্সেশনের ফাইল যথা সময়ে ঢাকায় পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। প্রশাসন শাখার দায়িত্ব অবহেলার কারণে পে ফিক্সেশনের ডকুমেন্টস ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ৩১৯টি সার্ভিস বই এ বিমানবন্দরের হিসাব শাখা ১৮ অক্টোবর প্রশাসন শাখাকে হস্তান্তর করলেও সদরদপ্তরে যথাসময়ে পৌঁছায়নি।

শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন মো. নূর হোসেন গণমাধ্যমের কাছে বলেন, নতুন স্কেলের জন্য কিছু আউটস্টেশনের স্টাফের সার্ভিস বুক, ডকুমেন্ট দেরি করে আসায় জমা দিতে দেরি হয়েছে। এ অবস্থায় কেউ নতুন স্কেল, কেউ আগের স্কেলে বেতন পাবে তা চাইনি আমরা। আশাকরি সবার বেতন একসাথে পাবে।



বাপ্পি/সা.এ

মন্তব্য

0 টি মন্তব্য
👤
মন্তব্য লোড হচ্ছে...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *