জেলার খবর

সাঈদী আল্লাহর ওলি ছিলেন, ভাই কেন সাক্ষ্য দিয়েছেন তিনিই জানেন

প্রকাশিত :
সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬
/
৭ বার সংবাদটি দেখেছে

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দণ্ডিত জামায়াতে ইসলামীর প্রয়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে ‘আল্লাহর ওলি’ বলে উল্লেখ করেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর বোন হেনা পশারী। তবে তাঁর বড় ভাই কেন সাঈদীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছিলেন, সে বিষয়ে কিছু জানেন না বলে জানিয়েছেন তিনি।

রবিবার (২৫ অক্টোবর) পিরোজপুর সদর উপজেলার শংকরপাশা ইউনিয়নের চিতলিয়া গ্রামে মানিক পশারীর বাড়িতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন হেনা পশারী।

সাঈদীর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বড় ভাইয়ের সাক্ষ্য দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে হেনা বলেন, ‘তখন আমি শ্বশুরবাড়ি খুলনায় ছিলাম। এরপর এ বিষয়ে ভাইয়ের সঙ্গে আমরা কোনো যোগাযোগ করিনি। তাঁর কাছে কিছু জানতেও চাইনি।’

সাঈদী সম্পর্কে নিজের অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘তিনি (সাঈদী) আল্লাহর ওলি ছিলেন। বড় ভাই কিসের জন্য কী করেছেন, এটা তিনি জানেন আর আল্লাহ জানেন। এ ব্যাপারে আমরা কিছু জানি না। আমাদের এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা না করাই ভালো।’

৫ আগস্টের পর তাঁদের বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগের ঘটনার সময় পরিবারের সদস্যরা কোথায় ছিলেন, এমন প্রশ্নের জবাবে হেনা জানান, তাঁরা আশপাশেই অবস্থান করছিলেন।

এদিকে মানিক পশারী অর্থের বিনিময়ে সাঈদীর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ করেছেন তাঁর ছোট ভাই চান মিয়া পশারী।

এ-সংক্রান্ত চান মিয়া পশারীর একটি ভিডিও সাক্ষাৎকার ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটি প্রথম ফেসবুকে প্রকাশ করেন পিরোজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মাসুদ সাঈদী।

এ ছাড়া মানিক পশারীকে ‘ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা’ দাবি করে মাসুদ সাঈদী অভিযোগ করেছেন, দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়ার কারণেই তাঁকে মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।

তবে মানিক পশারীর বিরুদ্ধে অর্থের বিনিময়ে সাক্ষ্য দেওয়া কিংবা মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পাওয়ার বিষয়ে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর স্বাধীন সত্যতা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এসব অভিযোগের বিষয়ে মানিক পশারীর বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।



বাপ্পি/সা.এ

মন্তব্য

0 টি মন্তব্য
👤
মন্তব্য লোড হচ্ছে...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *