রাজনীতি

জামায়াত নেতা ডা. খালিদুজ্জামানকে ‘সুযোগসন্ধানী ভণ্ড’ বললেন রাশেদ খাঁন

প্রকাশিত :
শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬
/
১১ বার সংবাদটি দেখেছে

জামায়াতে ইসলামীর নেতা ও ঢাকা-১৭ আসনের প্রার্থী ডা. এসএম খালিদুজ্জামানকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন। তাঁর অভিযোগ, আওয়ামী লীগ সরকারের ১৬ বছরের শাসনামলে খালিদুজ্জামানকে রাজপথের আন্দোলনে দেখা যায়নি। এমনকি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধেও তিনি ফেসবুকে কোনো পোস্ট দেননি বলে দাবি করেন রাশেদ খাঁন।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন তিনি।

পোস্টে রাশেদ খাঁন দাবি করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে ১৬ বছরের মধ্যে ১৬ সেকেন্ডের জন্যও রাজপথে নামেননি খালিদুজ্জামান। শেখ হাসিনার বিরুদ্ধেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁকে কখনো সরব হতে দেখা যায়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

রাশেদ খাঁনের আরও অভিযোগ, খালিদুজ্জামান প্রায়ই তাঁদের আন্দোলন-সংগ্রামকে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করেন। অথচ তাঁকে জনগণের কাছে নিজের পরিচয় দিতে হয় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে। এ অবস্থায় অন্যদের ত্যাগ ও সংগ্রামকে খাটো করার নৈতিকতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

খালিদুজ্জামানের ফেসবুক পেজ খোলার তারিখ উল্লেখ করে রাশেদ খাঁন বলেন, পেজটি খোলা হয়েছে ২০২৪ সালের ২৫ আগস্ট। তাঁর ভাষ্য, শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির পর অনেকেই নিজেদের বিপ্লবী হিসেবে উপস্থাপন করতে শুরু করেছেন।

পোস্টে খালিদুজ্জামানকে ‘সুযোগসন্ধানী’ আখ্যা দিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে আরও কঠোর সমালোচনা করেন রাশেদ খাঁন। তিনি অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় যারা ক্ষমতাসীন দলের সঙ্গে থেকে সুবিধা নিয়েছেন, তাদের কেউ কেউ এখন জামায়াত-শিবিরের পরিচয়ে রাজনীতিতে সক্রিয় হয়েছেন। এ ধরনের ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার আহ্বানও জানান তিনি।

নিজের পোস্টে খালিদুজ্জামানের ভাষা ও আচরণ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন রাশেদ খাঁন। তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করে বিভিন্ন মন্তব্য করেন তিনি।

তবে রাশেদ খাঁনের এসব অভিযোগের বিষয়ে ডা. এসএম খালিদুজ্জামানের কোনো বক্তব্য পাওয়া গেছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।



কুশল/সাএ

মন্তব্য

0 টি মন্তব্য
👤
মন্তব্য লোড হচ্ছে...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *