জেলার খবর

ঢাকেশ্বরী মন্দির কেন্দ্রিক নিষিদ্ধ রাজনৈতিক তৎপরতায় প্রশাসনিক নজরদারি দাবি

প্রকাশিত :
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
/
৭ বার সংবাদটি দেখেছে

রাজধানীর ঐতিহাসিক ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরকে ঘিরে কয়েকজন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতার নিয়মিত উপস্থিতি ও বিভিন্ন কর্মকাণ্ড নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। তাদের কেউ কেউ ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের আড়ালে রাজনৈতিক যোগাযোগ ও সাংগঠনিক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন—এমন অভিযোগও উঠেছে। বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে যাচাই করে প্রয়োজনীয় নজরদারি ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

অভিযোগকারীদের দাবি, আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বা অতীতে গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা কয়েকজন ব্যক্তি বর্তমানে ঢাকেশ্বরী মন্দিরকেন্দ্রিক বিভিন্ন কার্যক্রমে সক্রিয় রয়েছেন।তাদের মধ্যে রয়েছেন— সাবেক আওয়ামী স্বাস্থ্য মন্ত্রীর আপন ভাই আওয়ামী ছায়া মন্ত্রী জয়ন্ত সেন দিপু, এ্যাডভোকেট তাপস কুমার পাল, সজীব ঘোষ খোকা।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, আওয়ামী স্বাস্থ্য মন্ত্রী সামন্ত লাল সেনের ভাই তৎকালীন ছায়া মন্ত্রী(১) জয়ন্ত সেন দীপু(কন্টাকটার) ও আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটির কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য (২) এ্যাডভোকেট তাপস পাল,স্থানীয় যুবলীগের কয়েকজন নেতা বিশেষ করে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য (৩) নির্মল কুমার চ্যাটার্জীর স্ত্রী সহ কিছু মহিলা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেত্রী, আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী এমপি পঙ্কজ দেবনাথ এর বোনের জামাই(৪) মনিন্দ্র দেবনাথ,(৫) ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় প্রভাব শালী নেতা ছায়া ভট্টাচার্যের হাসবেন্ড(৬) দ্বীপেন চ্যাটার্জি, ও অন্যান্য আওয়ামীলীগ হিন্দু নেতাদের নিকট আত্মীয় এরা আওয়ামী সরকারের আমলে ব্যাপক সুবিধাভোগী,বর্তমানে তারা হিন্দু হওয়ার সুবাদে ঢাকেশ্বরী মন্দিরের মতো স্পর্শকাতর প্রতিষ্ঠানের ছত্রছায়ায় থেকে সরকার বিরোধী কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে মর্মে তথ্য রয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, মন্দিরকেন্দ্রিক সামাজিক ও ধর্মীয় কর্মকাণ্ডের সুযোগ নিয়ে কেউ কেউ পুরোনো রাজনৈতিক যোগাযোগ পুনর্গঠনের চেষ্টা করছেন। সম্প্রতি স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় নেতা এডভোকেট তাপস কুমার পাল ভারত সফর করে ভারতে পালিয়ে থাকা আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করছেন বলে তথ্য রয়েছে।

এদিকে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক প্রতিষ্ঠান হওয়ায় এর নিরাপত্তা ও নিরপেক্ষ পরিবেশ বজায় রাখার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোনো রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তির সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের জন্য মন্দির প্রাঙ্গণ ব্যবহার করা হচ্ছে কি না, সেটিও প্রশাসনের পক্ষ থেকে যাচাই করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

এ বিষয়ে চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিষয়টি তিনি অবগত নয় বলে জানিয়েছেন।



কুশল/সাএ

মন্তব্য

0 টি মন্তব্য
👤
মন্তব্য লোড হচ্ছে...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *