স্পোর্টস

র‌্যাশফোর্ডের গোলে বার্সেলোনার জয়

প্রকাশিত :
রোববার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
/
২৮ বার সংবাদটি দেখেছে

মার্কাস র‌্যাশফোর্ড বেঞ্চ থেকে উঠে এসে গোল করলেন। প্রথমার্ধে এলচে সমতা ফেরালেও তার ওই গোলেই বার্সেলোনার সহজ জয় নিশ্চিত হয়। 

গতকাল শনিবার (৩১ জানুয়ারি) দিবাগত মধ্যরাতে ভালেরোর এস্তাদিও মার্তিনেজে ৩-১ গোলে জিতেছে বার্সেলোনা। ২২ ম্যাচে ১৮তম জয়ে ৫৫ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে উঠেছে তারা। এক ম্যাচ কম খেলে ৪ পয়েন্ট কম নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রিয়াল মাদ্রিদ।

ফর্মে থাকা লামিনে ইয়ামাল বার্সাকে শুরুতে এগিয়ে দেন। ১৯৭৪ সালের পর থেকে কখনো অতিথিদের না হারানো এলচে আলভারো রদ্রিগেজের গোলে সমতা ফেরায়। বিরতির আগে ফেরান তোরেস বার্সেলোনাকে ফের এগিয়ে দেন। দ্বিতীয়ার্ধে রাফিনহার বদলি নেমে র‌্যাশফোর্ড জয়সূচক গোল করেন। তার কিছুক্ষণ আগেহ অ্যাডাম বোয়ার এলচেকে সমতা ফেরানোর সুবর্ণ সুযোগ নষ্ট করেন। 

সপ্তাহের মাঝামাঝি সময়ে কোপেনহেগেনের বিপক্ষে ঘুরে দাঁড়ানো জয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ১৬-তে নিজেদের জায়গা নিশ্চিত করেছিল বার্সেলোনা। গতকাল ইয়ামাল টানা তৃতীয় ম্যাচে ষষ্ঠ মিনিটে গোল করে তাদের সহজ জয়ের পথ তৈরি করেন। ১৮ বছর বয়সী এই খেলোয়াড় দানি ওলমোর মাঝমাঠ থেকে বাড়ানো বল ধরে ইনাকি পেনাকে কাটিয়ে ফাঁকা জালে বল পাঠান।

তোরেস লক্ষ্যভ্রষ্ট শট মারেন এবং ইয়ামালের পাস থেকে ওলমোর শট ক্রসবারে লেগে বেরিয়ে যায়। কিন্তু আধঘণ্টা হওয়ার আগেই বার্সেলোনা ধাক্কা খায়। রদ্রিগেজ এরিক গার্সিয়ার পেছনে জায়গা করে নেন এবং গোলরক্ষক জোয়ান গার্সিয়াকে পরাস্ত করে ঠান্ডা মাথায় জাল কাঁপান।

বার্সেলোনা আবারও এগিয়ে যায়। তোরেসের একটি শট ক্রসবারে লেগে ফিরে এসে অনিচ্ছাকৃতভাবে তার মুখে লাগে এবং বিস্ময়করভাবে পোস্টে আঘাত করে।

তবে তোরেস ৪০তম মিনিটে বল জালে জড়ান। ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ংয়ের কাটব্যাক থেকে তিনি জোরালো শট নেন। ডি ইয়ং এলচের গোলরক্ষক পেনাকে কাটিয়ে ফেললেও গোল করার পথ কয়েকজন ডিফেন্ডার বাধা দেন।

প্রথমার্ধে বার্সেলোনার লিড এক গোলেই ছিল। ভিক্টর চুস্ট স্লাইড করে গোললাইন থেকে বল ক্লিয়ার করে তোরেসকে দ্বিতীয় গোল থেকে বঞ্চিত করেন। এক গোলে পিছিয়ে থাকায় এলচে বিরতির পরও হাল  ছাড়েনি। রদ্রিগো মেন্ডোজা বল জালে জড়ালেও অফসাইডের কারণে তা বাতিল হয়।

বোয়ার একটি সুবর্ণ সুযোগ নষ্ট করেন। তিনি ভারসাম্য হারিয়ে বল ওপর দিয়ে উড়িয়ে মারেন। তাকে ডি বক্সের ভেতর দারুণ পায়ের কাজে বলটি বাড়িয়ে দিয়েছিলেন মার্টিম নেতো।

এই মিসে মাশুল দিতে হয়েছে এলচেকে। র‍্যাশফোর্ড সামান্য ব্যবধানে লক্ষ্যভ্রষ্ট শট নেন। এর কয়েক মুহূর্ত পরেই জালের উপরিভাগ দিয়ে লক্ষ্যভেদ করেন তিনি। ডানপ্রান্ত থেকে একটি উঁচু বল দারুণভাবে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে বক্সে ঢুকে ইংলিশ ফরোয়ার্ডকে দিয়ে গোল করান ইয়ামাল।

বার্সেলোনার সঙ্গে পয়েন্ট ব্যবধান একে নামাতে আজ রায়ো ভায়েকানোর মুখোমুখি হবে রিয়াল।


মাসুম/সাএ

মন্তব্য

0 টি মন্তব্য
👤
মন্তব্য লোড হচ্ছে...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *