জেলার খবর

ভালুকায় নিজ বাড়ীতে দুর্বৃত্তের হামলায় শিক্ষক আহত

প্রকাশিত :
মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬
/
২ বার সংবাদটি দেখেছে

ময়মনসিংহের ভালুকায় পূর্ববিরোধের জেরে বাড়িতে হামলা চালিয়ে এক শিক্ষককে পিটিয়ে হাত ভেঙে দিয়েছেন দুর্বৃত্তরা। এ সময় শিক্ষকের স্ত্রীকেও মারধর, স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেওয়া ও গাছপালা কেটে ক্ষতিসাধনের অভিযোগ করা হয়েছে। আহত শিক্ষককে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আহত শিক্ষকের নাম কে এম সাদেক হোসেন (৫৩)। তিনি উপজেলার বড়চালা হুসাইনিয়া দাখিল মাদরাসার সহকারী শিক্ষক।

২ নভেম্বর (সোমবার) ছয়জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও চার থেকে পাঁচজনের বিরুদ্ধে ভালুকা মডেল থানায় মামলা করেছেন আহত শিক্ষকের ছোট ভাই মো. রফিকুল ইসলাম খান (৫০)। গত ৩১ অক্টোবর দুপুরে উপজেলার হবিরবাড়ী ইউনিয়নের পশ্চিম ঝালপাজা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

এজাহারে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন কে এম শান্ত মিয়া (২৭), মো. ফরিদুল ইসলাম খান (৫৮), মোছা. শিরিনা আক্তার (৫০), এমদাদুল হক খান (৪৮), মো. হারুনুর রশিদ (৪৩) ও মোছা. রিয়া আক্তার (২৩)। তারা সবাই একই এলাকার বাসিন্দা।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, জমিজমা নিয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের সঙ্গে এজাহারকারীর পরিবারের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এর জের ধরে ঘটনার দিন অভিযুক্ত ব্যক্তিরা দা, কুড়াল, লোহার রড ও লাঠিসোঁটা নিয়ে তাদের বাড়িতে প্রবেশ করেন। এ সময় তারা শিক্ষক কে এম সাদেক ও তাঁর স্ত্রী জেসমিন আক্তারকে গালিগালাজ করেন। প্রতিবাদ করলে তাঁদের মারধর করা হয়।

এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, একপর্যায়ে কে এম শান্ত মিয়া দা দিয়ে সাদেকের মাথায় আঘাত করতে গেলে তিনি ডান হাত দিয়ে তা প্রতিহত করেন। এতে তাঁর ডান হাতের কনুইয়ের নিচে আঘাত লেগে হাড় ভেঙে যায়। এ ছাড়া জেসমিন আক্তারের গলায় থাকা ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেওয়া এবং তাঁর শ্লীলতাহানির অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযুক্ত ব্যক্তিরা দা ও কুড়াল দিয়ে গাছপালা কেটে আনুমানিক ৫০ হাজার টাকার ক্ষতিসাধন করেন বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। এ সময় পরিবারের সদস্যদের হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। পরে আহত সাদেক ও জেসমিনকে উদ্ধার করে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সাদেকের অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এ বিষয়ে ভালুকা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।



স্বাধীন/সা.এ.

মন্তব্য

0 টি মন্তব্য
👤
মন্তব্য লোড হচ্ছে...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *