জেলার খবর

আদাবরে স্বল্প পরিসরে সবুজায়ন কর্মসূচি

প্রকাশিত :
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬
/
১৬ বার সংবাদটি দেখেছে

ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা, অপরিকল্পিত নগরায়ন, যানবাহনের চাপ এবং উন্মুক্ত স্থান ও সবুজ এলাকার স্বল্পতার কারণে ঢাকা শহর দিন দিন বসবাসের জন্য আরও কঠিন হয়ে উঠছে। নগরের প্রতিটি এলাকায় বড় আকারের পার্ক বা উদ্যান তৈরি করা সবসময় সম্ভব নয়। তবে সীমিত জায়গার যথাযথ ব্যবহার করে ছোট ছোট পরিসরে সবুজায়ন বা মাইক্রো-গ্রিনিং উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে নগর পরিবেশে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব।

আদাবর কমিউনিটির ৩০ নম্বর ওয়ার্ডে এলাকাবাসীর স্বতঃস্ফূর্ত সহায়তায় এবং হেলথব্রিজ ফাউন্ডেশন অব কানাডা ও ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্ট-এর যৌথ উদ্যোগে ১৪ই অক্টোবর ২০২৬ইং স্বল্প পরিসরে সবুজায়ন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এলাকাকে আরও সুন্দর, স্বাস্থ্যকর ও পরিবেশবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এই বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।

আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন মিশন পল্লী স্কুল এন্ড টেকনিক্যাল কলেজের ব্রাঞ্চ ইনচার্জ মো. আব্দুল কাদির, মিশন ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজ এর ব্রাঞ্চ ইনচার্জ মো. কাওসার আহমেদ, ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্টের পরিচালক গাউস পিয়ারী, প্রকল্প কর্মকর্তা প্রমা সাহা এবং মো. ইমরান মিয়া। আয়োজনে আরো উপস্থিত ছিলেন মিশন ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থীবৃন্দ এবং ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের এলাকাবাসী।

বক্তারা বলেন, স্বল্প পরিসরে সবুজায়নের আওতায় রাস্তার পাশে অব্যবহৃত ছোট জায়গা, ফুটপাতের প্রান্ত, ভবনের সামনের খালি অংশ, আবাসিক এলাকার উন্মুক্ত কর্ণার, স্কুল ও প্রতিষ্ঠানের প্রাঙ্গণ কিংবা অন্যান্য অব্যবহৃত স্থানে স্থানীয় ও উপযোগী গাছপালা ও লতাগুল্ম লাগানো যেতে পারে। এসব ছোট সবুজ স্থান একদিকে যেমন নগরের সৌন্দর্য বাড়াবে, অন্যদিকে তাপমাত্রা কমাতে, ধুলাবালি নিয়ন্ত্রণে এবং পথচারীদের জন্য হাটাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে ভূমিকা রাখতে পারে।।

বক্তারা আরও বলেন, স্বল্প পরিসরের সবুজায়ন উদ্যোগে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণও গুরুত্বপূর্ণ। একটি ছোট সবুজ স্থান তৈরি করার পাশাপাশি এর পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব স্থানীয় বাসিন্দা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হলে উদ্যোগটি দীর্ঘস্থায়ী হবে। বিশেষ করে শিশুদের জন্য নিরাপদ ও সবুজ পরিবেশ তৈরিতে স্কুলের আশপাশ এবং আবাসিক এলাকার ছোট জায়গাগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া যেতে পারে। সমন্বিত উদ্যোগ ও জনসম্পৃক্ততার মাধ্যমে আদাবর ৩০ নম্বর ওয়ার্ডকে একটি সবুজ, স্বাস্থ্যকর, পরিবেশবান্ধব ও বাসযোগ্য কমিউনিটি হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব।

পরিবেশ রক্ষায় তরুণ প্রজন্ম ও স্থানীয় জনগণের ঐক্যবদ্ধ ও সক্রিয় উদ্যোগ আদাবর এলাকার টেকসই উন্নয়ন ও বাসযোগ্যতা নিশ্চিত করতে একটি চমৎকার ও দৃষ্টান্তমূলক ভূমিকা রাখবে বলে আমাদের প্রত্যাশা।



সাজু/নিএ

মন্তব্য

0 টি মন্তব্য
👤
মন্তব্য লোড হচ্ছে...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *