ক্যাম্পাস

সিরাজগঞ্জে পারিশ্রমিক চাওয়াকে কেন্দ্র করে রাঁধুনিকে মারধর, পুলিশ হেফাজতে শিক্ষার্থী

প্রকাশিত :
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
/
১২ বার সংবাদটি দেখেছে

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে মাসিক পারিশ্রমিক চাওয়াকে কেন্দ্র করে শাহ মখদুম ছাত্রাবাসের এক রাঁধুনিকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় উত্তেজিত স্থানীয়রা সড়ক অবরোধ করে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ করেন। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ওই শিক্ষার্থীকে হেফাজতে নেয়।

অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর নাম ফেরদৌস। তিনি রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী এবং শাহ মখদুম ছাত্রাবাসের আবাসিক ছাত্র। মঙ্গলবার সকালে শাহজাদপুর পৌর এলাকার দ্বারিয়াপুর বাজারে অবস্থিত ওই ছাত্রাবাসে এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী রাঁধুনি ফেরদৌসী বেগম ও স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, পঞ্চাশোর্ধ্ব ফেরদৌসী দীর্ঘদিন ধরে ওই ছাত্রাবাসে রান্না করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন। অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর কাছে আগস্ট মাসের পারিশ্রমিক পাওনা ছিল। চলতি মাসের ১১ তারিখে তা পরিশোধ করার কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ে টাকা না দেওয়ায় মঙ্গলবার সকালে ফেরদৌসীর সঙ্গে ওই শিক্ষার্থীর কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে পারিশ্রমিক চাইলে ফেরদৌসী বেগমকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে।

স্থানীয়দের দাবি, এ সময় তাকে লাঠি দিয়ে আঘাত করা হয় এবং তার পরনের শাড়ি খুলে নেওয়ারও চেষ্টা করা হয়। এতে তিনি আহত হন বলে স্বজনরা জানান। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে ফেরদৌসীর স্বজন ও স্থানীয়রা শাহ মখদুম ছাত্রাবাসের সামনে অবস্থান নেন। একপর্যায়ে শত শত মানুষ সড়কে অবস্থান নিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর শাস্তির দাবিতে সড়ক অবরোধ করেন। এতে এলাকায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

খবর পেয়ে শাহজাদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে অভিযুক্ত শিক্ষার্থী ফেরদৌসকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে থানায় নেওয়া হয়।

এ বিষয়ে শাহজাদপুর থানার ওসি মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও ছাত্রাবাসের রাঁধুনির ঘটনায় উত্তপ্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শিক্ষার্থী ফেরদৌসকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।



কুশল/সাএ

মন্তব্য

0 টি মন্তব্য
👤
মন্তব্য লোড হচ্ছে...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *