বিনোদন

বিয়ের গুঞ্জনের মাঝেই ভিডিওতে মিমির স্বীকারোক্তি

প্রকাশিত :
মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬
/
৫ বার সংবাদটি দেখেছে

টালিউড অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আলোচনা এখন তুঙ্গে। প্রেম ও বিয়ের গুঞ্জনের মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে তাঁর একটি আবেগঘন ভিডিও। সেখানে নিজের জীবনের সবচেয়ে কাছের মানুষ হিসেবে হবু বর, মা কিংবা বাবার কথা নয়, বরং দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে পাশে থাকা বাড়ির পরিচারিকা বুল্টির প্রতি ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন অভিনেত্রী।

টালিপাড়ায় গুঞ্জন, চলতি নভেম্বরেই কথিত প্রেমিক সিদ্ধার্থের সঙ্গে আইনি বিয়ে সারতে পারেন মিমি। এরপর ডিসেম্বর মাসে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা হতে পারে বলেও আলোচনা চলছে। তবে মিমি চক্রবর্তী কিংবা সিদ্ধার্থ—কেউই এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানাননি। ফলে বিয়ের খবর এখনো জল্পনার পর্যায়েই রয়েছে।

এই আলোচনার মধ্যেই সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে বুল্টিকে পাশে দাঁড় করিয়ে তাঁর প্রতি নিজের গভীর ভালোবাসার কথা জানান মিমি। বুল্টিকে বুকে জড়িয়ে ধরে আবেগাপ্লুত কণ্ঠে অভিনেত্রী বলেন, ‘পনেরো বছর ধরে ও আমার সঙ্গে আছে। আমি হাসপাতালেও থাকলেও ও আমার পাশে থাকে। আমার দুঃখ-কষ্ট, আমার মা-বাবার থেকে মনে হয় এই বাচ্চাটা বেশি বোঝে। আজ ওর ভাই এসেছে। ছবি তুলতে আবদার করেছে। তাই, ওর ভাইয়ের সঙ্গে ছবি তুলছি। তারপর আমার ভাইদের সঙ্গেও ছবি তুলব, তাই তো?’

মিমির এই কথাগুলো মুহূর্তেই নজর কেড়েছে ভক্ত ও নেটিজেনদের। তারকার জীবনে দীর্ঘদিন ধরে নীরবে পাশে থাকা একজন মানুষের প্রতি এমন ভালোবাসা ও সম্মান দেখে অনেকেই অভিনেত্রীর প্রশংসা করছেন।

বুল্টির সঙ্গে প্রায়ই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি ভাগ করে নেন মিমি। দীর্ঘ দেড় দশক ধরে অভিনেত্রীর সুখ-দুঃখের সঙ্গী হয়ে আছেন তিনি। শুধু মিমির দেখাশোনাই নয়, অভিনেত্রীর আদরের পোষ্যদেরও যত্ন নেন বুল্টি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তিনি কেবল বাড়ির পরিচারিকা হিসেবে সীমাবদ্ধ থাকেননি; হয়ে উঠেছেন মিমির পরিবারেরই একজন সদস্য।

তারকাদের চাকচিক্যময় জীবনের আড়ালে এমন অনেক মানুষ থাকেন, যাঁরা প্রচারের আলোয় না থেকেও প্রতিদিনের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। মিমির বক্তব্যে সেই নীরব সম্পর্কের গভীরতাই যেন সামনে এসেছে। বিয়ের গুঞ্জনের সময়ে হবু বরকে ছাপিয়ে বুল্টির প্রতি তাঁর এই আবেগঘন স্বীকারোক্তি তাই নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

সূত্র- হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা



স্বাধীন/সা.এ.

মন্তব্য

0 টি মন্তব্য
👤
মন্তব্য লোড হচ্ছে...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *