অপরাধ

তাহসিফের মৃত্যুর পর আত্মগোপন থেকে যেভাবে গ্রেফতার হলেন দিশা

প্রকাশিত :
রোববার, ১ নভেম্বর, ২০২৬
/
৪ বার সংবাদটি দেখেছে

বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সৌরির মৃত্যুর ঘটনায় তাঁর কথিত বান্ধবী জেরিকা তাসনীম দিশাকে (১৯) গ্রেফতার করেছে নৌ পুলিশ।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাজধানীর মিরপুর-১৪ নম্বর এলাকার একটি বাসা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গণমাধ্যমে নাম প্রকাশের পর থেকেই আত্মগোপনে ছিলেন দিশা। তাহসিফের মরদেহ উদ্ধারের আগে তাঁর বাসার ঠিক বিপরীতে একটি ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকতেন তিনি। ঘটনার পর রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান পরিবর্তন করেন দিশা। শনিবার রাতে খালার বাসায় এসে একজনকে নিজের নিরাপদে থাকার কথা জানান। পরে প্রযুক্তির সহায়তায় তাঁর অবস্থান শনাক্ত করে রাতে গ্রেফতার করে পুলিশ।

এর আগে সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায়, গত ২৭ অক্টোবর রাত ১০টা ১৭ মিনিটে উত্তরার ১১ নম্বর সেক্টরের একটি রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড বারে যান তাহসিফ, দীপ ও দিশা। তাঁরা একটি মোটরসাইকেলে সেখানে পৌঁছান। কিছুক্ষণ পর আরেকটি মোটরসাইকেলে সেখানে আসেন দীপ। পরে তিনজনকে একসঙ্গে রেস্টুরেন্টে প্রবেশ করতে দেখা যায়।

রেস্টুরেন্টের আরেকটি সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, তাহসিফ ও দিশা লিফটের সামনে অপেক্ষা করছেন। কিছুক্ষণ পর হেলমেট পরা অবস্থায় সেখানে পৌঁছান দীপ। এরপর তিনজন একসঙ্গে লিফটে ওঠেন। প্রায় দেড় ঘণ্টা পর রাত ১১টা ৫১ মিনিটে তাঁদের রেস্টুরেন্ট থেকে বের হতে দেখা যায়। পরে তাঁরা মোটরসাইকেলে করে সেখান থেকে চলে যান।

রেস্টুরেন্ট থেকে বের হওয়ার পর তিনজন কোথায় গিয়েছিলেন, তা জানতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে সংশ্লিষ্ট দল।

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র আরও জানায়, তাহসিফের মৃত্যুর ঘটনায় পরিবারের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁর বন্ধু দীপকে প্রথমে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। জিজ্ঞাসাবাদে তাহসিফের সঙ্গে বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত এবং সেখানে যাওয়ার কারণ সম্পর্কে তথ্য দেন দীপ। তবে তাঁর বক্তব্যে কিছু অসংগতি পাওয়া যায়।

পরে দীপের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করে পিবিআই। এসব তথ্য যাচাই করে তাহসিফের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ও ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা উদ্ঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।



কুশল/সাএ

মন্তব্য

0 টি মন্তব্য
👤
মন্তব্য লোড হচ্ছে...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *