জেলার খবর

শিক্ষার্থীরাই আগামীর নেতৃত্ব দেবে, কালীগঞ্জের শিক্ষা ও উন্নয়নে সর্বোচ্চ কাজ করব: এমপি ফজলুল হক মিলন

প্রকাশিত :
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
/
৮ বার সংবাদটি দেখেছে

“শিক্ষা ছাড়া কোনো জাতি সামনে এগিয়ে যেতে পারে না। আজকের এই কোমলমতি শিক্ষার্থীরাই আগামীর দিনে দেশ পরিচালনার নেতৃত্ব দেবে। তাই আমাদের সরকার ও দল সবসময় শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টিতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে আসছে।”

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এ কে এম ফজলুল হক মিলন কালীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নবনির্মিত ভবন উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

সকাল ১০টায় মসলিন কটন মিলস উচ্চ বিদ্যালয়ে নবনির্মিত ভবনের শুভ উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচি শুরু করেন এমপি ফজলুল হক মিলন। এরপর পর্যায়ক্রমে সকাল সাড়ে ১০টায় সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, বেলা ১১টা ৩০ মিনিটে যুগলী উচ্চ বিদ্যালয়, দুপুর সাড়ে ১২টায় জামালপুর রাজমোহন বিদ্যাপীঠ এবং দুপুর আড়াইটায় চুপাইর বালিকা বিদ্যালয়ের নতুন ভবনগুলোর উদ্বোধন করেন তিনি।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য আরও বলেন, “শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে অবকাঠামোগত উন্নয়ন হলে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার মান যেমন বৃদ্ধি পায়, তেমনি শিক্ষক-শিক্ষার্থীরাও একটি অনুকূল পরিবেশ পান। আপনাদের এই এলাকার সন্তান ও আপনাদের প্রতিনিধি হিসেবে কালীগঞ্জের প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আধুনিকায়ন এবং মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে আমি আমৃত্যু কাজ করে যাবো। আপনারা আপনাদের সন্তানদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুলুন, বাকি সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার দায়িত্ব আমাদের।”

এ সময় এলাকার শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ছাড়াও স্থানীয় বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। বিভিন্ন স্কুল প্রাঙ্গণে পৌঁছালে প্রধান অতিথিকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

পরে বিকেলে কর্মসূচি পরিবর্তন করে ভিন্নমাত্রার এক আয়োজনে অংশ নেন সংসদ সদস্য এ কে এম ফজলুল হক মিলন। বিকেলে সাড়ে তিনি বক্তারপুরের ফুলদী এলাকায় ঐতিহাসিক বেলাই বিলে উপস্থিত হয়ে মৎস্য পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

মৎস্য সম্পদ রক্ষা ও উৎপাদন বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, “আমাদের নদ-নদী ও বিলগুলোতে দেশীয় মাছের বংশবিস্তার বাড়াতে হবে। শুধু প্রাকৃতিকভাবে মাছের ওপর নির্ভর না করে নিয়মিত পোনা অবমুক্ত করলে আমাদের আমিষের চাহিদা পূরণ হবে এবং স্থানীয় মৎস্যজীবীরা আর্থিকভাবে লাভবান হবেন।”

দিনব্যাপী এসব ব্যস্ততম কর্মসূচিতে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়।



রোহান/সা.এ.

মন্তব্য

0 টি মন্তব্য
👤
মন্তব্য লোড হচ্ছে...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *