জেলার খবর

শাহজাদপুরে যমুনা তীর রক্ষা বাঁধে তালবীজ বপন, উদ্বোধন করলেন ইউএনও

প্রকাশিত :
বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
/
১১ বার সংবাদটি দেখেছে

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও বজ্রপাতের ঝুঁকি কমাতে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে গত সাত বছর ধরে ব্যক্তিগত উদ্যোগে বিভিন্ন রাস্তার পাশে ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সীমানায় তালবীজ বপন করে আসছেন সাংবাদিক ও সমাজকর্মী আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ। গত পাঁচ বছরে তিনি প্রায় ৩০ হাজার তালবীজ বপন করেছেন। তাঁর হাতে বপন করা অনেক তালগাছ এখন বিভিন্ন সড়কের পাশে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে, যা স্থানীভাবে দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে।

এরই ধারাবাহিকতায় চলতি বছর শাহজাদপুর উপজেলার যমুনা নদীর তীর রক্ষা বাঁধের দুই পাশে তালবীজ বপন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সম্প্রতি পাঁচিল এলাকা থেকে এনায়েতপুরগামী বাঁধের দুই পাশে তালবীজ বপন কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাবরিনা শারমিন। এ সময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন, জালালপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. আব্দুর রশিদসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গত দুই বছর ধরে যমুনা নদীর তীর রক্ষা বাঁধের দুই স্লোপে তিনটি করে সারিতে, প্রায় ১০ ফুট পরপর তালবীজ বপন করা হয়েছে। জিরো পয়েন্ট থেকে জগতলা পর্যন্ত প্রায় চার কিলোমিটার এলাকায় বপন করা এসব তালবীজের অনেকগুলো ইতোমধ্যে গাছে পরিণত হয়েছে।

উদ্বোধনকালে শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাবরিনা শারমিন বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। তালগাছ পরিবেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাংবাদিক ও সমাজকর্মী আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ গত সাত বছর ধরে যে উদ্যোগটি চালিয়ে যাচ্ছেন, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।

তিনি বলেন, “শাহজাদপুর উপজেলা প্রশাসন এ উদ্যোগে সার্বিক সহযোগিতা করে আসছে এবং আগামীতেও করবে। তাঁর মতো উদ্যোগ নিয়ে সমাজের আরও মানুষ এগিয়ে এলে উপজেলা প্রশাসন তাদের পাশেও সর্বাত্মক সহযোগিতা নিয়ে দাঁড়াবে।”

শাহজাদপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, তালগাছ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি তাল থেকে রস, পিঠা-পায়েসসহ বিভিন্ন খাদ্য তৈরি হয়, যা গ্রামীণ অর্থনীতিতেও অবদান রাখে।

সাংবাদিক ও সমাজকর্মী আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বলেন, “গত সাত বছর ধরে শাহজাদপুরের বিভিন্ন রাস্তার পাশে ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সীমানায় তালবীজ বপন করে আসছি। বিভিন্ন স্থান থেকে তাল সংগ্রহ করে সেখান থেকে বীজ নিয়ে উপযুক্ত জায়গায় বপন করি। ইতোমধ্যে আমার হাতে বপন করা অনেক তালগাছ বড় হয়ে দৃশ্যমান হয়েছে।”



কুশল/সাএ

মন্তব্য

0 টি মন্তব্য
👤
মন্তব্য লোড হচ্ছে...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *